রমজানের আগে স্থিতিশীল বাজার চান ক্রেতারা।

মোস্তাফিজুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার :দীর্ঘদিন ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর অস্থিতিশীল। কখনো পেঁয়াজের দাম কখনো বা বাড়ে চালের দাম। আবার কখনো অস্থিতিশীল সবজির বাজার। এ অবস্থার অবসান চান ক্রেতারা, রমজানের আগেই স্থিতিশীল বাজার দেখতে চানা তারা। বিগত বছর থেকে বেশ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার দর নিয়ে অস্বস্তিতে ছিলেন ক্রেতারা। নতুন বছরে এসব পণ্যের দাম স্বাভাবিকের আশ্বাস বিক্রেতারা দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। বরঞ্চ আরো বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়েছে। ক্রেতারা আশঙ্কা করছেন রমজান মাসকে সামনে রেখে বিক্রেতারা আবারো দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
ক্রেতাদের আশঙ্কার সত্যতাও পাওয়া গেছে বাজারে। রমজান শুরুর আগেই মাংস ও চিনির বাজার দরে ঊর্ধ্বগতির হাওয়া লেগেছে। আর এর সঙ্গে তো দীর্ঘদিন ক্রেতাদের অস্বস্তিতে ফেলা চালের বাজার দর আছেই!
সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০/৬০০ টাকা, প্রতি কেজি খাসির মাংস ৭৮০-৮০০ টাকা, প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ২৪০/২৭৮ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৫৬ টাকা কেজি দরের চিনি এখন ৪ টাকা মূল্যবৃদ্ধি হয়ে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে চালের বাজারের আগুন কমার কোনো লক্ষণ নেই। দীর্ঘদিন ধরেই চালের বাজার দরে এমন ঊর্ধ্বগতি চলছে। সর্বশেষ খুচরা মূল্য অনুযায়ী কেজি প্রতি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৭৩ টাকা, ১ নম্বর মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা, সাধারণ মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকা, বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা ও স্বর্ণা এবং পারিজা ৪৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাস শুরু হওয়ার আগে এসব পণ্যের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই বলে জানা গেছে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে। তবে রমজান চলাকালীন চালের দামের নতুন করে মূল্যবৃদ্ধি সম্ভাবনা নেই। কিন্তু অন্যসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে। এমন অবস্থা হলে রমজানে ক্রেতারা চরম দূর্ভোগে পড়তে হবে বলে আশা করছে চট্টগ্রাম বাসি। তাই সকল প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিকট দৃষ্টিপাত করে অনুরোধ জানাই চট্টগ্রামবাসী যে, অতিশীঘ্রই দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে এনে জনসাধারনের স্বস্তির হাওয়া যেন ফিরে পাওয়া যাই পবিএ রমজান উপলক্ষে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাই আপামর জনসাধারণ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *