ভন্ড ও প্রতারকদের উৎপাতে ফেঁপে উঠেছে দেশ।

 

মোস্তাফিজুর,চট্টগ্রাম :প্রতারণার সকল প্রকার কলাকৌশলী তৎপরতা অব্যহত রেখে অর্থ আত্মসাতের মত প্রলভনকারি ফাঁদ নির্মাণ করে অভিনব পন্থায় অপ্রতিরোধ্য ভাবে দেশব্যাপী প্রতারক চক্রের উৎপাত যেন ক্রমাণ¦য় বেড়েই চলছে। কখনও সাংবাদিক, কখনও মন্ত্রী এমপিদের সহচর বা ঘনিষ্টজন পরিচয় দিয়ে তদবীর পর্টির দালাল সেজে দেশের নিরীহ ও সাধারণ মানুষদেরকে নিঃস্ব করে অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সংঘবদ্ধো একটি প্রতারক চক্র। ইতিমধ্য সংঘবদ্ধ চক্রটির বিরুদ্ধে দফায় দফায় দেশের বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হলেও অজ্ঞাত কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যেন টনকই নড়ছে না । অনুসন্ধানে জানা গেছে যে, সংঘবদ্ধ এই চক্রটির মূল যে হোতা তার নাম হল বোরহান উদ্দিন, সে কোন পত্রিকার সাংবাদিক না হয়েওে চট্টগ্রাম জেলায় হাটহাজারি থানা এলাকায় রীতিমত নিজেকে সাংবাদিক বলে দাবরিয়ে বেড়াচ্ছে। এই কথতি সাংবাদিক বোরহান উদ্দিনের খুঁটির জোড় হলেন সে আরেক জাদরাঈল ও ভন্ড-প্রতারক লাল মিয়া প্রকাশ লাল ভান্ডারী। চট্টগ্রাম হাটহাজারী থানাধিন ফতেয়াবাদ এলাকার কুখ্যাত লাল ভান্ডারীর ছত্র-ছায়ায় ধর্মীয় লেবাসের অন্তরালে বিভিন্ন অপকর্ম যেন পুলিশের হাতে ধরা না পওে সেজন্য তদবীর পার্টির দালাল হিসাবেও কাজ করছে রোহান উদ্দিন। জানা যায় লাল মিয়া ভান্ডারী পীরবাবা সেজে অসাধ্য সাধন, স্বামী-স্ত্রীর অমিল, গুপ্তধন পাইয়ে দেবার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাদের মত ফাঁদ পেতে প্রতিনিয়তই হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। এছাড়া প্রসাশনের কিছু দুর্নীতিবাজ করর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে কথিত সাংবাদিক বোরহান, ফলে কোন অভিযোগ করতে সাহস পাচ্ছেনা ভূক্তভোগীরা। এছাড়া বোরহান উদ্দিনের দাপটে অস্থির জীবন যাপণ করছে চট্টগ্রামের নিরীহ জনগণ। বোরহান উদ্দিনের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক, হাটহাজারি থানা ও উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবরে প্রতারণার অভিযোগ করেন আবু তৈয়ব নামের আরেক ভুক্তভোগী। এছাড়া কুমিল্লার লায়লা বেগম নামের একজন নারী বোরহান উদ্দিনের নামে স্ট্যাম্প জালিয়াতির মামলা প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা যায়। এছাড়া ভূয়া সাংবাদিকতা করে নিরীহ মানুষের সাথে প্রতারণা করছে বলে বোরহানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ঢাকা জজকোর্টে মামলা করছে বলে সূত্র জানায়। এছাড়া নারীদের সাথে প্রতারণা করায় ক্ষুব্ধ নারীগণ বোরহানের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করবে বলে বিস্বস্থ সূত্রে জানা যায়।
এদিকে চট্টগ্রামের কুখ্যাত জামাত ক্যাডার ও অন্ধকার রাজ্যে ভয়ংকর স¤্রাট ও ভূয়া সাংবাদিক নূরুল আবছার আনছারি নামক এক দুরধর্ষ প্রতারক দুই মাস পূর্বে তথ্য প্রযুক্তি আইনে জেলের ঘানি টানছে বলে জানা যায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় নূরুল আবছার আনছারি প্রতারণার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করছে নারীদেরকে। এরই ধারাবাহিকতায় সে ১১ জন নারীকে জাল কোর্ট মেরিজের কাগজ দিয়ে নকল বিবাহের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা-বাড়িতে স্ত্রী হিসাবে রেখেছে বলে সূত্রে জানা যায়। এছাড়া সংরক্ষিত এসকল নারীদেরকে দিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকার ধনী ও বিত্তবানদের সাথে চিত্ত বিনোদনের মাধ্যমে গোপনে তাদের ভিডিও চিত্র ধারণের পর সাংবাদিকের দাপট দেখিয়ে মোটা অংকের অর্থ আদায় করে কোটিপতি বনে গেছে নূরুল আবছার আনছারি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আনছারির বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন আদালতে ডজন খানেক মামলা করছেন ভুক্তভোগিরা। নূরুল আবছার আনছারি জামাতের বিস্বস্থ ক্যাডার বলে অজ্ঞতা বসতঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে কটুক্তি করে আনছারির ফেইজবুক আইডি থেকে তাঁর বিরুদ্ধে স্ট্যটাস দিলে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এতে দুইমাস পূর্বে তাকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় কারাগারে পাঠায় নগর চান্দগাঁও থানা পুলিশ। এছাড়া আনছারির বিরুদ্ধে মানহানিকর মামলা করে সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান আজগর আলী মানিক, তার বিরুদ্ধে বাদী হয়ে ২টি প্রতারনা মামলা করেন আরেক সাংবাদিক রিয়াজ উদ্দিন রানা। নাসির উদ্দিন নামের আরেক ভুক্তভোগি আনছারির বিরুদ্ধে মানহানিকর মামলা করছেন বলে সূত্রে জানা যায়।
এদিকে আরেক কুখ্যাত প্রতারক আব্দুল কাদের অপুর বিরুদ্ধে ৫০ লক্ষ টাকার মানহানিকর ও প্রতারণার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করছেন সিটিজির ক্রাইম টিভির চেয়াম্যান আজগর আলী মানকি এবং ভাইস চেয়ারম্যান বিবি মরিয়ম। এ বিষয়ে লাকসাম থানার ওসি ও জিআরপি পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন আমরা আদালতে নির্দেশ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করিব।
এদিকে নোয়াখালি লক্ষীপুর জেলার দুর্ধষ প্রতারক ও ইয়াবা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে প্রতারণার লিখিত অভিযোগ এনেছে ভুক্তভোগী শারমিন আক্তার ও ইসমাইল হোসেন, এসময় তারা একযোগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট থানা করর্মকর্তা এবং সিটিজি ক্রাইম টিভির চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ করে বলেন প্রতারক মোহাম্মদ আলী একজন এলাকার চিহ্নীত ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক সরবরাহকারি। আমাদেরকে প্রথমআলো পত্রিকায় সাংবাদিকের চাকুরির দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নগদ ৩০,০০০/= টাকা গ্রহন করে। পরে চাকরি দিতে না পারলে সে আমাদের সাথে বিভিন্ন ছল-চাতুরির কথা-বার্তা বল্লে আমাদের তার প্রতি সন্দেহ হয়। এরপর মোহাম্মদ আলী বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে, মোহাম্মদ আলী কখনও নিজেকে ভূইয়া বাড়ির সন্তান কোথাও মুন্সি বাড়ির আবার সৈয়দ বাড়ির সন্তান বলে পরিচয় দিয়ে নিজেকে প্রভাবশালী বংশের লোক সাজিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতে মানুষের কাছথেকে অর্থ আত্মসাদ করে বলে জানা যায়। এছাড়া লক্ষীপুর ঝুমুর সিনেমা হলের সামনে বাংলাদেশ হারবাল নামের একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে খুলছে মোহাম্মদ আলী, সেখানে তিনি নিজকে একজন ডাক্তার পরিচয় দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে গরীব অসহায় রুগীদের কাছথেকে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ হারবালের ডাক্তার বলে স্থানীয় রওশন জাহান ইষ্ট্রান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা যাওয়ার মাধ্যমে তার ডাক্তারি খেতাবটি আরও প্রতিষ্ঠিত হতে থাকে। এখন মোহাম্মদ আলী একজন বি.এম.ডিসি”র অনুমোদনহীন ডাক্তারও বটে। এছাড়া মোহাম্মদ আলী বর্তমান ক্ষমতাশীনরা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *