তাসফিয়ার বাবা ও চাচা টেকনাফের গড ফাদার 

সূর্যোদয় ডেস্ক:চট্টগ্রামে রহস্যজনক মৃত্যু হওয়া স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিনের (১৬) পুরো পরিবার জড়িত ইয়াবা ব্যবসায়। তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন এবং চাচা নুরুল আমিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কালো তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি। ২০১৫ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অধিশাখা-৬-এর এক স্মারকপত্রের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের যুগ্ম সচিব ও পরিচালক (অপারেশন ও গোয়েন্দা) প্রণব কুমার নিয়োগী স্বাক্ষরিত তালিকায় ৭৬৪ জন মাদক কারবারি নাম প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় রয়েছে মোহাম্মদ আমিন ও তার ছোট ভাই নুরুল আমিনের নাম। তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে মাদক আইনেসহ নয়টি মামলা।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চুরির ঘটনায় ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর কক্সবাজারের টেকনাফ থানায় দায়েরকৃত একটি মামলার আসামি মোহাম্মদ আমিন। এরপর ইয়াবা ব্যবসায় জড়ায় আমিন। ২০১৫ সালের ২২ এপ্রিল চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানার স্টেশন রোড়ের প্যারামাউন্ট সিটির সামনে থেকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হন মোহাম্মদ আমিন। এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়েরকৃত মামলায় কারাগারে যান তিনি। এরপর জামিনে বেরিয়ে ফের ইয়াবা চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন মোহাম্মদ আমিন। ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একটি মামলায় এজাহারভুক্ত করা হয় আমিনকে। অবশ্য ২০১৫ সালে গ্রেফতার হওয়ার অনেক আগে থেকে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে আমিনের জড়িত থাকার তথ্য রয়েছে পুলিশের কাছে। ২০১৩ সালের ৮ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রেকর্ড করা একটি মামলায় মোহাম্মদ আমিনের নাম রয়েছে। কক্সবাজারের টেকনাফ থানায়ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি মোহাম্মদ আমিন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *