একজন ভাল মানুষের কৃতিত্ব ;

 

এ এস এম সাদেকুল ইসলামঃ স্টাফ রিপোর্টার।
আধুনিক সোনার বাংলা নির্মাণে, বাংলার প্রতিটি মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম হউক একজন রুহুল আমিন রুবেলের।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে গুণান্বিত, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের একজন নিঃস্বার্থ কর্মী সমর্থক, লালপুরের অসহায়, দুঃখী মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের নাম,দানবীর জনাব- রুহুল আমিন রুবেল।

নাটোরের লালপুরে জন্ম নেওয়া রুহুল আমিন রুবেল শুধু একটি নামই নয়, লালপুরের গরিব,অসহায় ও দুঃখী মানুষের নিঃস্বার্থ ভালবাসার এক অমর সৃষ্টি,দানবীর রুহুল আমিন রুবেল।

বলা বাহুল্য,
বিএম মোবাইল হাউস এন্ড ইলেকট্রনিক্সের চেয়ারম্যান জনাব -রুহুল আমিন রুবেল ছোটবেলা থেকেই পিতা-মাতার দেখানো পথ ধরে মানব প্রেমে মত্ত ছিলেন। অন্যের দুঃখে নিজেকে নিয়োজিত করে দুঃখ ভরাক্রান্ত মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পারলেই তিনি খুশি থাকতেন।

শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে অদ্যাবধি তিনি মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন যা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে আছড় কাটে তার এই মহানুভবতা।

হাজারো দুঃখ-কষ্ট বুকে চাপা দিয়ে দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি অদ্যাবধি।

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া রুহুল আমিন রুবেল অনেক স্বপ্ন দেখতেন, পিতা-মাতা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে খুব সুখে ছিলেন তিনি।
হঠাৎ এক অমানিশার ঝড় তার জীবনের স্বপ্ন গুলোকে দুমড়ে মুছড়ে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। যে বাবা-মায়ের উপস্থিতিতে অসহায় মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন,কিন্তু অমানিশার কালো চাদর তা ঢেকে দেয় মায়ের কঠিন রোগ ভয়ংকর ক্যান্সারের আক্রমণে। মায়ের জন্য সাধ্যনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়েছেন তিনি, কিন্তু ভয়াবহ মরণ ব্যাধি ক্যান্সার থেকে তার মা মুক্ত হতে না হতেই তার বাবা স্ত্রীর মরণ ব্যাধির ভয়ার্ত শোকে পরলোক গমন করেণ। পিতার মৃত্যু শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই পিতা মৃত্যুর ৪৫দিনের মাথায় গর্ভধারীনি মা তাকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে পরলোকগমন করেণ।

পিতা-মাতা হারানোর শোকে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান, পৃথিবীটাকে স্বার্থপর ভাবতে থাকেন, নিজেকে বড্ড একা মনে করেন তিনি। সকল দুঃখ দুর্দশা থেকে মুক্তির পথ খুঁজতে থাকেন তিনি। একসময় পিতা-মাতার দেখানো পথ তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। তিনি ভাবেন মানব সেবায় তার শান্তির ঠিকানা। তিনি নিজেকে মানব সেবায় নিয়োজিত করেন।

২০০৫ সাল থেকে অদ্যাবদি তিনি প্রতি শক্রবার অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেন। মানব সেবার যাত্রালগ্ন ২০০৫ সালে তিনি অসহায় প্রত্যেক পরিবারকে ৫০০গ্রাম চাউল দিয়ে শুরু করেছিলেন। যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে আজ প্রত্যেক পরিবারের ১ সাপ্তাহের সমপরিমান খাদ্য দ্রব্য দিয়ে সহায়তা করে আসছেন। এই দুঃখি মানুষ গুলো ১সপ্তাহের খাবার শেষ হতেই পরেরদিন শুক্রবার আবারও ছুটে আসেন তার কাছে আগামী সপ্তাহের খাদ্য দ্রব্য গ্রহণ করতে। এভাবে প্রায় তিনি ১৫০০ পরিবারকে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে খাদ্য দ্রব্য দিয়ে সহায়তা করে আসছেন তিনি।

গরিব অসহায় মানুষ গুলোকে বিনোদন দিতে তিনি প্রতি বছর বনভোজন ও ক্রিড়া প্রতিযোগিতা মূলক একটি অনুষ্ঠান করে আসছেন দীর্ঘ ১২বছর যাবৎ।

তিনি প্রতি বছর পবিত্র রমজান মাসে লালপুরের অসহায় মানুষ গুলোকে আলাদা ভাবে চিনি,সেমাই,ইফতার সহ রমজানের প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে থাকেন। চলতি রমজান মাসে তিনি প্রায় ১২০০ পরিবারের মাঝে রমজানের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

খুশির ঈদ পবিত্র ঈদ উল ফিতরে
গত ১২ বছর যাবৎ তিনি লালপুরের অসহায় পরিবারের মাঝে নতুন কাপড় ও লাচ্ছা-সেমাই,চিনি বিতরণ করেণ,এবছর হয়তো ১০০০ পরিবারের সংখ্যা পেরিয়ে ১৫০০-১৮০০ পরিবারে বৃদ্ধি হতে পারে।

খুশির ঈদ পবিত্র ঈদ উল আযহায় লালপুরের অসহায় পরিবার গুলোকে কোরবানির মাংস দিয়ে সহায়তা করে আসছেন গত ১২ বছর যাবৎ,এবছর সহায়তার সংখ্যা আরও বৃদ্ধি হতে পারে।

এছাড়াও তিনি বিশেষ বিশেষ দিন গুলোতে অসহায় পরিবার গুলোর জন্য খাওয়ার সুব্যবস্থা করে আসছেন গত ১২ বছর ধরে।

এমন মহান গুনের অধিকারী একজন দানবীর সাদা মনের মানুষ যদি বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে জন্ম নিতো তবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ আরও অনেক বাস্তবায়িত হতো।

বিএম মোবাইল হাউস এন্ড ইলেকট্রনিক্সের চেয়ারম্যান, দানবীর জনাব-রুহুল আমিন রুবেল ভাইয়ের দীর্ঘ জীবন কামনা করে প্রিয় দেশবাসীর কাছে এই মহৎ দানবীর মানুষটির জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি। আল্লাহ্‌ আপনাকে নেক হায়াত দান করুণ এবং আপনার দানের প্রসার ঘটাক..


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *