আগামী নির্বাচন হবে চ্যালেঞ্জিং: কাদের

 

সূর্যদয় ডেস্কঃআওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস, আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমরা বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে ঐক্যের সোনালি ফসল ঘরে তুলবো।’

সোমবার (১১ জুন) বিকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবসের পটভূমি তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সব কথা বলতে চাই না। নেতাদের অনেকেই যে সাহসটা দেখাতে পারেননি, সেই সাহস দেখিয়েছেন আওয়ামী লীগের কর্মীরা এবং এই কর্মীরাই ২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলের বিজয়কে সুনিশ্চিত করেছেন।’

আওয়ামী লীগ এখনও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে আছে দাবি করে মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সড়ক দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘একটু বেশি সময় নিলেও আপনারা কমিটি জমা দিয়েছেন। নেত্রী দেশে ফিরে এলে তার সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই এই কমিটিগুলো ঘোষণা করা হবে। কমিটি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় দেখি, এখনও কমিটি হয়নি। কিন্তু কমিটি আমাদের পার্টির অফিসে জমা হয়েছে। আমরা শিগগিরই আমাদের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করে এই কমিটিগুলো প্রকাশ করবো। ছোট-খাটো কিছু ভুল-ক্রটি থাকলে নেত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সেগুলো আমরা সংশোধন করে নেবো ।’

তিনি বলেন, ‘আজ আওয়ামী লীগকে যেকোনও মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিনকে সচল রাখতে হবে। যেজন্য আমাদের কর্মীদের সচল ও সংগঠিত থাকতে হবে। কোনও অবস্থাতেই কোনও কলহ-কোন্দলকে প্রশ্রয় দেবেন না। আগামী নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশের কোনও রাজনৈতিক শক্তির আওয়ামী লীগকে পরাজিত করার সেই সামর্থ্য এবং সেই সমর্থন নেই।’

দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমরা এই ঐক্যের সোনালি ফসল বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে ঘরে তুলবো, ইনশাল্লাহ।’

দলের নেতাদের যেকোনও বিষয়ে ফ্রি-স্টাইলে কথা না বলার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন কৌশলগত বিষয়। আমাদের জোটের রাজনীতিরও কৌশল আছে। কাজেই নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ, সব বিষয়ে ফ্রি-স্টাইল কথা বলবেন না। দলের নীতি-কৌশল, জোট গঠন— এসব নিয়ে ফ্রি-স্টাইল কথা বলা দলের জন্য শুভ নয়। আমারে এক ভয়েস, এক টোনে কথা বলতে হবে। সব বিষয়ে সবার কথা বলার প্রয়োজন নেই। যাদের যে বিষয়ে কথা বলার, সেই পর্যন্ত বলবেন।’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *